কবর | মুজিব মেহদী | কবিতা
সোনার খনিতে যারা কাজ করেপরতে পারে না তারা সোনার গহনাসোনার খনিতে যারা চাপা পড়েদামি নয় তারা মোটে সোনার মতোন তবু দেখো মারা গেছে যারা আজ সোনার খনির ধসেতাদের হয়েছে ভরা সোনার কবর
সোনার খনিতে যারা কাজ করেপরতে পারে না তারা সোনার গহনাসোনার খনিতে যারা চাপা পড়েদামি নয় তারা মোটে সোনার মতোন তবু দেখো মারা গেছে যারা আজ সোনার খনির ধসেতাদের হয়েছে ভরা সোনার কবর
ওরা শুধু চেনে ঝিরিপথ আর উত্তল দুই চূড়া একা যায়নি তো, সাথে আছে বন্ধুরাকটেজের মুখ লাগোয়া সিবিচ ঘিরেওরা ঘুরে আসে। অথচ পাশেইমানে কটিদেশ পেরিয়ে মাত্র দু’কদম এগুলেই ম্যানগ্রোভ বন। ঊরুসন্ধির সন্ধান পেয়ে ফেরমাটি ফুঁড়ে ওঠা, শ্বাসমূল ধরে কতো না রহস্যেরকুল ও কিনারাগুলি। ওসব না দেখে, কথা বলে ওরাআর জলসাতে ছুঁড়ে দেয় ফাঁকাবুলিসাজানো আগুনে ক্যাম্পফায়ারের পাশে
দৃঢ়তার ঝুলিতে রাখা আছে সংকল্পকিন্তু ভুলের পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়ছেব্যর্থতার অমোচনীয় সেই সব গ্লানিযার দগদগে ঘায়ে বার বার লবণ ছিটানো প্রত্নতাত্বিক খোঁড়াখুঁড়ি চলছে নিয়তরত্নের বদলে উঠে আসে ক্লেদাক্ত কাহিনিদূরে ছিটকে যায় একদা প্রিয় সম্পর্কএভাবেই দূরে সরে যায় প্রিয়জন
দুঃখের ভাঙন সমস্ত কিছুই ভাঙছে নদীতীর নির্জন কোমল কাঁচ, হীরের শরীর ভেঙে যাচ্ছে মাটির কলস, গাছ ভাঙছেগাছের শরীরে কারো কুঠারের শব্দ শুনে আঁতকে উঠছে কানএইভাবে বহু কিছু, ভেঙে যাচ্ছে, সংসারের সবুজ গেলাস,চিনেমাটি, বাসন কোসন, সময়ের হাতঘড়ি, তাও ভাঙছে,কতকিছু, ভেঙে যাচ্ছে, কোমল সবুজ অই আমলকী গাছের ডাল,ভেঙে যাচ্ছে পুকুরের পাড় থেকে খুচরো কাজল মাটি অসতর্কতায়আর এক
ভূমিকা ও কবি পরিচিতি আলবেনিয়ান ভাষাভাষী জনগোষ্টির বাসস্থানের পরিধি হালজামানার আলবেনিয়া প্রজাতন্ত্র ছাড়াও ছড়িয়ে ছটিয়ে আছে সমগ্র বলকান অঞ্চল তথা কসোবো, মেসিডোনিয়া, মন্টিনিগ্রো, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়ায়। পনেরো শতক থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশক অব্দি পুরো বলকান এলাকা ছিল তুরষ্কের অটোমান সালতানাতের অন্তর্গত। ওই সময়কালে ঔপনিবেশিক শাসনপ্রক্রিয়ার কঠোর নিষেধাজ্ঞাজনিত কারণে আলবেনিয় ভাষায় লিখিতভাবে সাহিত্যের বিকাশ অত্যন্ত
মনে মনে বলিয়া আমি সকালেই উঠিআজ যেন সব কাজ সারি পিঠাপিঠি। যে তালিকা, যতকিছু ছিল মনে মনেঘুমোবার আগে ছিল নোট মুঠোফোনে। বাজারের কাজগুলো ফ্রিজ ম্যাগনেটেগ্যাস ও পানির বিল মগজে ও পেটে। সিরামিক ডিশগুলো টেবিলে নামাবোঈদের আগেই আমি গাড়িটা সারাবো। জ্রুরী তালিকা আছে ব্যাগের পকেটেকম্পিউটারে ক’টা, ক’টা নিউ ট্যামপ্লেটে। কবিতা কোথায় ছিলো টেবিলে না নোটেআহ যদি
ভেঙ্গে পড়ি জলমাটির কলসি হয়ে লেপ্টে থাকি কাঁখেযমুনা যনুনা গাইজলের রাখালি করি খোয়াজ খিজির…আসিও জলের ঘাটেফুটে থাকি রোদফুটে থাকি ছায়াহিজলে কদমে…তুমি ছাড়া কে বুঝিবে বাঁশির রোদনতুমি ছাড়া কে বুঝিবে ভেঙ্গে পড়া মন! ইরম ইরম সুর তুমিও ধরিবেবড়ো সাধ জলনৃত্য ইরমে করিবে। যদি ফিরে আসি প্রত্যাবর্তন হয়েমাছেদের মিছিলে লাল কানকোয়আঁশটে অগাধ ঘ্রাণ লয়েতবে চিনে নিও লাল
একটা শাদা ফুল ফোটাবো বলে কত যে দিন অপেক্ষা করেছিম্যাজিক হাতে এনে দাও চারা গোড়াশুদ্ধু পুতে রাখি তুমি তো ভুতুরে শহরে ম্রিয়মান চড়ুই আর শালিকের তৃষ্ণাকাতর চোখে দেখতে চাইছো না আরমোটা কাপড় ঝুলছে চোখের সামনেগামলা ভরে উঠেছে কান্নার পানিতেএখন তুমি কার পাশ থেকে উঠে যেতে চাও? কেউ কাউকে ছেড়ে দিতে চাইনা চাইনাওরে এপ্রিল ওরে বৈশাখ
সন্ধ্যার হাত কেঁপে কান্নার মতো পড়ে যাই; সবাই ভাবে যেন মরা পাতা পড়ছি এ বিস্বাদ আর তাঁর শব্দরা একটি একটি তিল অথবা শিশির জমে বড় হয়, গভীর খাঁদের থেকে মহাপ্লাবনের অনুরূপ কোনো মিছিলে যায়, আধপেটা নারী ও পুরুষের মতোই যেন; তাড়া খেয়ে ছিটকে পড়ে; সাতঘাটের জল খেয়ে মাটিতে নামে কঠিন শিলা সন্ধ্যার সুগভীর কালো চোখের
তোমাদের হাততালির পাশেঅযথা খরচ হতে থাকাএক বহুদামী নোট হয়ে ফুরিয়ে গেলাম।সুরের পসরা থেকে কিনে আত্মার বাঁশিটিপ্রিয় সুরে বাজানো হলো না,হায়!একটা জীবনআমি জুয়া ভেবে খেলে খেলে ফুরিয়ে গেলাম।জ্যোৎস্না পড়ে থাকা মর্মরিত বনেঝরে ঝরে পড়াদের হলুদ সভায় আসন্ন মৃত্যুওদূর থেকে কী দারুণ!এইভাবে দেখেছো আমায়। ফুলহীন মান্দারের ঝোপে রোদ হয়েপড়ে থাকা কাঁটাবিদ্ধ আলো,খাদ্যগুদামের পাশেপড়ে থাকা তুচ্ছ বালু-স্তুপ,এখন আমাকে