তীরন্দাজ | ২১ জুলাই সংখ্যার সূচি ও লেখার লিংক
১৩ জন কবি-লেখকের ৫টি কবিতাসহ ১৩টি লেখা
১৩ জন কবি-লেখকের ৫টি কবিতাসহ ১৩টি লেখা
যেখানে যাই, যত কাজই থাকুক, সব ফেলে আমি গিলতে থাকি চারপাশের মানুষজন আর ঘটনাপ্রবাহ। কে কী করছে, কী ঘটছে কোথায়, দেখতে থাকি হা করে। ছোটবেলায়ও তা-ই করতাম, বাজারে ঘাটে পথে মাঠে কাজে গিয়ে কাজ ভুলে মেতে থাকতাম এই হা করে চারপাশ গেলার কাজে। মা-চাচিরা তাই আমাকে ‘হা-করা’ বলত। খুব একটা ভালো তকমা এটা না, তবু
এই যে নতুন রোদেমেলে দেওয়াপুরনো কবিতারা উড়তে উড়তেকার নামেতুমিএকটা রাস্তাসাড়া দিচ্ছরূপোলিফ্রেম মানে পড়ে যাওয়া ধাতুঅর্ধেক স্মৃতির ভেতরএকটু একটু রিলেট করতে পারছে তখনডে ফর নাইটঅর্থাৎধ্বনি ভেবে ফেলে যাওয়া কার দিনকাটা রেকর্ডের সাথে কেমন ফিরে আসছে… লেন্সের পর লেন্স পুড়ে যাচ্ছে একটা তীব্র করিডোর ব্যালেন্স করছে স্মৃতির ভেতর দিয়ে চলে যাওয়া একটা নেভানো সিঁড়ি আকাশ শব্দটায় বেড়ে
‘নিছক বৈঠকী’ শিরোনামে এই জার্নালধর্মী লেখাটি নিয়মিত প্রকাশিত হবে ১. সুবিমল মিশ্র ও ‘প্রথাবিরোধিতা’ পরিণত বয়সে (৮০) বিদায় নিয়েছেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রথাবিরোধী লেখক সুবিমল মিশ্র। মাত্র পাঁচমাস আগে (ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৩) তিনি দেহত্যাগ করেন। বিষয়বস্তু নির্বাচন, ভাষা ও আঙ্গিকের ব্যবহারে স্বাতন্ত্র্য এবং লেখা প্রকাশের ক্ষেত্রে সকল ধরনের বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্ম সযত্নে এড়িয়ে দুই বাংলার পাঠক
কবি শ্যামলকান্তি দাশের সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারপ্রাপ্তি উপলক্ষ্যে এই লেখা ‘এই আনন্দ দেখব বলেই মরপৃথিবীতে আমরা কত বছর জ্যান্ত হয়ে আছি’– শ্যামলকান্তি দাশ কবিতার কারুকৃতি জুড়ে ঘরবাড়ি গড়ে ওঠে শব্দ আর অনুভবের এক মায়াবী স্থাপত্যে। একটার পর একটা লাইন পেরিয়ে আমরা কবির বাড়ির দিকে যাই। যেখানে ছায়া ছায়া ধানখেত, ‘নবীন ধানের গান মেঘে জলে কত কী